image

image
 

A+ A-
Voice of 71 Voice of 71 Author
Title: মুক্তিযুদ্ধ প্রতিদিনঃ ০৪ আগস্ট, ১৯৭১
Author: Voice of 71
Rating 5 of 5 Des:
০৪ আগস্ট, ১৯৭১ ৭নং সেক্টরে পাকহানাদার বাহিনী নদীপথে তাহেরপুরের দিকে অগ্রসর হলে হাবিলদার শফিকের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা এ্যামবুশ কর...

০৪ আগস্ট, ১৯৭১
  • ৭নং সেক্টরে পাকহানাদার বাহিনী নদীপথে তাহেরপুরের দিকে অগ্রসর হলে হাবিলদার শফিকের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা এ্যামবুশ করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে ১৮ জন পাকসেনা নিহত হয়।
  • সিলেটে মুক্তিবাহিনী বড়লেখা-বিয়ানীবাজার সড়কপথে চানগ্রাম বাজারের কাছে পাকবাহিনীর একটি টহলদার দলকে এ্যামবুশ করে। প্রায় এক ঘন্টা যুদ্ধের পর ৭ জন পাকসেনা পালিয়ে যায় এবং পাকসেনা ল্যান্সনায়েক মামুন আনসারী মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ে।
  • জামালপুরে মুক্তিবাহিনী পাকহানাদার বাহিনীর শক্ত ঘাঁটির ওপর আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণে পাকবাহিনীর বিপুল অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও জানমালের ক্ষতি হয়।
  • ঢাকায় সামরিক শাসক ১৬২ নং সামরিক আদেশ জারি করে। এই আদেশ বলে নতুন করে ৬নং সামরিক সেক্টর গঠন করা হয়।
  • গাইবান্ধায় খন্দকার আজিজুর রহমান ও রইসউদ্দীনকে যথাক্রমে আহ্বায়ক ও সম্পাদক করে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট শান্তিকমিটি পুনর্গঠিত হয়।
  • কুষ্টিয়া সদর মহকুমার কুমারখালী থানার পাল্টি গ্রামে রাজাকারদের গুলিতে দুইজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।
  • পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান টিভি সাক্ষাৎকারে বলেন, বেআইনী ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার করা হবে। তিনি বলেন, জাতীয় পরিষদে যেসব পূর্ব পাকিস্তানি সদস্যের আসন বহাল থাকবে এবং অপরাধ অথবা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের জন্য যারা আসন হারিয়েছেন, খুব শিঘ্রই তাদের নাম ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, একমাত্র সীমান্ত এলাকা ছাড়া পূর্ব পাকিস্তানের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের ফলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও উত্তেজনার সমাপ্তি ঘটেছে। জেনারেল ইয়াহিয়া বলেন, পূর্ব-পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ পূর্ব পরিকল্পিত ছিল না। তিনি বলেন সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে যে প্রচারণা চলছে তা জঘন্য মিথ্যা। সেখানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্ষুদ্র সংখ্যক সশস্ত্র বিদ্রোহী সরকারের সাথে যুদ্ধ করে। তাদের উৎখাত করার জন্য সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব পালন করতে হয়। বিদ্রোহীদের দমন করতে অনেক সময় দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হয়। পৃথিবীতে এ রকম অনেক নজির আছে।

তথ্যসূত্র : মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

About Author

Advertisement

Post a Comment Blogger

 
Top